দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চূড়ান্ত করতে কাতারের একটি আলোচক দল তেহরানে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রয়টার্সকে দেওয়া সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।
সূত্রটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে কাতারের প্রতিনিধিদল তেহরানে গেছে। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে যুদ্ধ বন্ধে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো এবং ইরানের সঙ্গে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান করা।
গাজা যুদ্ধসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংকটে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করলেও, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর কাতার শুরুতে এই যুদ্ধে মধ্যস্থতার ভূমিকা থেকে দূরে ছিল।
তবে নতুন করে কাতারের সম্পৃক্ততা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের ভূমিকাকেই সামনে এনেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে, সংঘাত শুরুর পর থেকে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও শুক্রবার বলেন, ইরান আলোচনায় পাকিস্তান ‘প্রশংসনীয় কাজ’ করছে এবং এখনো তারাই প্রধান মধ্যস্থতাকারী।
যদিও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবুও এখনো বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি হয়নি। ইরানের বন্দর অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।
রয়টার্সকে দেওয়া এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্র জানায়, এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তবে দুই পক্ষের অবস্থানের পার্থক্য কমেছে। ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো বড় বাধা হয়ে আছে।
মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার বলেন, ‘কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে আমি অতিরিক্ত আশাবাদী হতে চাই না। আগামী কয়েক দিন কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।’
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধে কাতারও ইরানের হামলার শিকার হয়। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনা রাস লাফানেও হামলা চালানো হয়, যার ফলে কাতারের এলএনজি রপ্তানি সক্ষমতার প্রায় ১৭ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/